বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: কখনও কলকাতা দখলের হুঁশিয়ারি, কখনও আবার ভারতের (Inda) সেভেন সিস্টার কেড়ে নেওয়ার উসকানি, বিগত সময়গুলিতে বাংলাদেশে মহম্মদ ইউনূসের শাসনকালে প্রতিবেশীর তরফে এমন ব্যবহারই পেয়ে এসেছে ভারত। সম্প্রতি চিন সফরে গিয়ে উত্তর-পূর্ব ভারত নিয়ে হুঙ্কার ছেড়েছিলেন ইউনূস।
গুরুত্বপূর্ণ খবর পড়তে জয়েন করুন
Join Now
ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলকে বদ্ধ এলাকা হিসেবে দেখিয়ে, নিজেদের সমুদ্রের অভিভাবক বলে দাবি করেন ওপার বাংলার প্রধান। তা সত্ত্বেও, সুদূর ব্যাঙ্ককে BIMSTEC সম্মেলনের মাঝে আয়োজিত হয়েছিল মোদি-ইউনূস পার্শ্ব বৈঠক। আর সেখানেই আগামী দিনে ভারত বিরোধী মন্তব্য করলে, কী পরিণতি হবে তা শান্তিতে নোবেলজয়ীকে ভালভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
ইউনূসকে ভবিষ্যৎ দেখালেন মোদি
BIMSTEC সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ড পারি দিয়েছিলেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মহম্মদ ইউনূস। একই সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদিও। আর সেখানেই, সময় বের করে ঢাকার আবেদন অনুযায়ী ইউনূসের সাথে প্রথমবারের জন্য পার্শ্ব বৈঠক সারেন প্রধানমন্ত্রী। সেই বৈঠকে বাংলাদেশ প্রধানকে পাশে বসিয়ে ঢাকা-দিল্লির সম্পর্ক খারাপ হয়, আগামী দিনে এমন মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকার উপদেশ দিলেন মোদি।
বাছায় করা খবর নিজের মোবাইলে পেতে
Join Now
এছাড়াও ওপার বাংলায় নির্বাচন নিয়েও বিশেষ বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন ভারতীয় প্রধানের তরফে জানানো হয়, ভারত আগামী দিনে গণতান্ত্রিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও স্থিতিশীল বাংলাদেশকে দেখতে চায়, যেখানে শুধুই গণতন্ত্রের ভূমিকা থাকবে।
সীমান্তে অনুপ্রবেশ নিয়েও কথা বলেন মোদি
ব্যাঙ্ককে দুই দেশের প্রধানের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ওপার বাংলার ইউনূসকে দুই দেশের মধ্যে গঠনমূলক সম্পর্ক গড়ে তোলার কথা বলেছেন। সেই সাথে, ইউনূসের শাসনকালে সীমান্তে অনুপ্রবেশ বেড়েছে, এ কথা স্মরণ করিয়ে ইউনূসকে সীমান্তে অনুপ্রবেশের কঠোর আইন প্রয়োগের কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। তাছাড়াও গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের ভিত শক্ত করার দিকেও জোর দিয়েছেন তিনি।
অবশ্যই পড়ুন: এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহে ভুলেও লটারি কাটবেন না এই ৫ রাশি! কাদের ভাগ্যে লক্ষীলাভ? দেখে নিন
প্রসঙ্গত, দুই দেশের মধ্যে গঠনমূলক সম্পর্ক গড়ে তোলার পাশাপাশি বাংলাদেশি হিন্দু ও সংখ্যালঘুদের ওপর নৃশংস অত্যাচার নিয়েও জোরালো উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মোদি। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রীর উদ্বেগ প্রকাশের পর ইউনূস নাকি অন্যান্য সময়ের মতো ওপার বাংলায় নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে তা বাস্তবের মাটিতে পা রাখবে কিনা, সে বিষয়ে সংশয়ে রয়েছে নানা মহলে।