লম্বা গরমের ছুটির বদলে বিকল্প ব্যবস্থা, স্কুলে পঠনপাঠন নিয়ে নয়া ভাবনা রাজ্য সরকারের
শ্বেতা মিত্র, কলকাতাঃ চৈত্রের কাঠফাটা গরমে নাজেহাল অবস্থা ৮ থেকে ৮০-র। এদিকে এহেন পরিস্থিতিতে স্কুল পড়ুয়াদের স্কুলে পাঠানোর ব্যাপারে ভাবলেই শিহরিত। যে হারে গরম বাড়ছে তাতে করে শিশুদের ওপর যথেষ্ট প্রভাব ফেলছে এবং আগামী দিনে আরও ফেলবে। অন্যদিকে এই গরম আবহাওয়ায় স্কুলের পঠনপাঠন করানো নিয়ে সরকারের তরফে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। শুধু তাই নয়, গরমের ছুটি নিয়ে কী করা যায় সেই নিয়েও দফায় দফায় শুরু হয়েছে বৈঠক।
সবে তো এপ্রিল মাস। আর স্কুলগুলিতে গরমের ছুটি পড়ে সেই মে মাসে। কিন্তু তার আগেই যে হাড়ে গরম বাড়ছে সেখানে স্কুলে পাঠানো কীভাবে সম্ভন পড়ুয়াদের সেই নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। বিভিন্ন শিক্ষক মহল থেকে শুরু করে অভিভাবকরা তুলছেন নানা প্রশ্ন। গরমের ছুটি নিয়ে চটজলটি সিদ্ধান্তের বদলে জেলাভিত্তিক রিপোর্টের পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে চায় বিকাশ ভবন।
বাংলার স্কুলগুলিতে কবে থেকে গরমের ছুটি পড়ছে সেই নিয়ে এখনও অবধি কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। তবে মনে করা হচ্ছে, মে মাসের ১২ থেকে ২৩ তারিখ পর্যন্ত গরমের ছুটি পড়ার কথা। তবে তার আগেই যে হারে গরম বাড়ছে তা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে সকলের। এদিকে আগেই যদি সরকার ছুটি দিয়ে দেয় তাহলে সিলেবাস শেষ করা একপ্রকার অসম্ভব হয়ে পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন শিক্ষকরা। ইতিমধ্যে রাজ্যের স্কুলগুলিতে এপ্রিল, সেপ্টেম্বর এবং মে মাসে আয়োজিত পরীক্ষার ভিত্তিতেই পড়ুয়াদের সার্বিক মূল্যায়ন করা হচ্ছে। যার মধ্যে এপ্রিলের পরীক্ষা ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে এবং এই পরীক্ষা শেষে শুরু হবে উচ্চ মাধ্যমিকের তৃতীয় সেমেস্টারের ক্লাস। এই পরিস্থিতিতে কী করে সমস্ত সিলেবাস শেষ হবে, তা নিয়ে ঘুম উড়েছে শিক্ষক থেকে সংগঠনগুলির।
এই প্রসঙ্গে বড় মন্তব্য করেছেন শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক কিঙ্কর অধিকারী। তিনি বলেন, ‘পরিকল্পনাহীন ছুটি নয়, পূর্বের ৮৫টি ছুটি ফিরিয়ে দিয়ে বাস্তবসম্মত ভাবে গরমের ছুটি বাড়ানো হোক। বিভিন্ন জেলার পরিস্থিতি অনুযায়ী বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ছুটি অথবা মর্নিং স্কুল করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করুক। না হলে পরিকল্পনাহীন ভাবে সরকারি বিদ্যালয়গুলিতে গ্রীষ্মে প্রায় দু’ মাস ছুটি অথচ বেসরকারি স্কুলগুলি চালু থাকলে পঠনপাঠন বিঘ্নিত হবে।’
গরমের লম্বা ছুটি প্রসঙ্গে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য জানান, ‘আমরা অতিরিক্ত ছুটির পক্ষে নই। সেমেস্টার পদ্ধতিতে অতিরিক্ত ছুটি থাকলে টিচিং-লার্নিং প্রসেসে সমস্যা হবে। সামনে উচ্চমাধ্যমিকের তৃতীয় সিমেস্টার। পরিস্থিতি বুঝে দুপুরের বদলে সকালে ক্লাস করাক স্কুলগুলি।’ ফলে আগামী দিনে সরকার কী সিদ্ধান্ত নেয় সেদিকে নজর থাকবে সকলের।
ভারতীয় রেলওয়ে যাত্রীদের সুবিধার জন্য বিভিন্ন প্রকল্প পরিচালনা করে। তবে অনেক মানুষ এসব সুবিধার বিষয়ে…
শ্বেতা মিত্র, কলকাতাঃ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উন্নয়নের নামে এখনও নির্বিচারে গাছ কাটা হচ্ছে। ধ্বংস করে…
সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় টেলিকম সংস্থা Bharti Airtel এবার তাদের গ্রাহকদের জন্য সেরা…
সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: বৈশ্বিক বাণিজ্যের মোড় ঘুরিয়ে দিলেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চীন, ভারত সহ…
গত বছর এপ্রিল মাসে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Recruitment Case) মামলায়…
শ্বেতা মিত্র, কলকাতাঃ স্কুল পড়ুয়াদের জন্য বড় খবর। বৃহস্পতিবার ঘোষণা হয়ে গেল কবে থেকে বাংলায়…
This website uses cookies.