প্রীতি পোদ্দার, মালদা: গত বছর আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে সেই ভয়াবহ ঘটনায় রীতিমত রাজ্যজুড়ে প্রশ্নের মুখে পড়ে যান সিভিক ভলান্টিয়াররা। বরাবরই সিভিকদের বিরুদ্ধে ‘দাদাগিরি’র অভিযোগ উঠেছে রাজ্যের একাধিক জেলা থেকে। এমনকি সিভিকদের শৃঙ্খলার পাঠ পড়াতে কড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। কিন্তু তবুও তাঁদের দাদাগিরি এখনও থামেনি। সম্প্রতি মালদায় তাঁদের দাপটের আরও এক উদাহরণ উঠে এল।
গুরুত্বপূর্ণ খবর পড়তে জয়েন করুন
Join Now
ঘটনাটি কী?
সূত্রের খবর, গতকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার বিকেলে রশিদাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের ভেলাবাড়ি নাকা পয়েন্টে ফের সিভিক ভলান্টিয়ারদের দাদাগিরি (Civic Volunteers Beaten A Driver In Malda) দেখা গেল। জানা গিয়েছে ডালখোলা হাট থেকে গোরু নিয়ে ফিরছিলেন এক ব্যক্তি। ওই গাড়িতেই তাঁর সঙ্গে ছিলেন গাড়ির মালিকও। ঠিক সেই সময় ভেলা বাড়ি নাকা পয়েন্টে তিন সিভিক ভলান্টিয়ার তাঁদের গাড়ি আটকায়। এবং চালককে দাঁড় করিয়ে এক হাজার টাকা দাবি করেন ওই সিভিক ভলান্টিয়াররা। কিন্তু ১০০০ টাকা দেওয়ার মত সামর্থ্য না থাকায় ৫০০ টাকা বের করে তাঁদের দেন। কিন্তু সেই টাকা নিতে অস্বীকার করেন সিভিক ভলান্টিয়াররা।
ভাইরাল মারধরের ভিডিও
গাড়িচালক ১০০০ টাকা না দেওয়ার কথা বলতেই ওই তিন কর্তব্যরত সিভিক ভলান্টিয়ার গাড়ি থেকে চালককে নামিয়ে নাকা পয়েন্টের ভিতরের ঘরে ঢুকিয়ে নিয়ে যায়। তারপরেই বেধড়ক মারধর করা হয় ওই গাড়িচালককে। বেপরোয়া মারে গুরুতর জখম হন ওই গাড়িচালক। ওই গাড়ি চালকের নাম রুহুল আলি। তাঁর বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুরের বাংরুয়া গ্রামে। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই মারধরের ভিডিও রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে। হরিশ্চন্দ্রপুর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা করানোর পর ওই গাড়িচালক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
বাছায় করা খবর নিজের মোবাইলে পেতে
Join Now
ইতিমধ্যে তিন সিভিক ভলান্টিয়ারদের বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছে অভিযোগ। আর তার ভিত্তিতেই এবার তদন্তে নেমেছে হরিশচন্দ্রপুর থানার পুলিশ। এইমুহুর্তে স্থানীয় একটি হাসপাতালেই চিকিৎসারত সেই আহত গাড়ির চালক। তবে তদন্ত শুধু সিভিক ভলান্টিয়ারদের বিরুদ্ধে নয় এছাড়াও আহত গাড়িচালক কোথায় গরু নিয়ে যাচ্ছিলেন, তাও খতিয়ে দেখছে হরিশচন্দ্রপুর থানা।
রাজ্য রাজনীতি, বিনোদন থেকে শুরু করে খেলা সংক্রান্ত নানা ধরনের খবরের লেটেস্ট আপডেট পেতে এখনই ফলো করুন আমাদের India Hood Bangla কে।