বিক্রয় ব্যানার্জী, কলকাতা: ইন্ডিয়ান সুপার লিগের শুরুর দিকে ধারাবাহিক পরাজয়ের পর কোচ অস্কার ব্রুজোর দেখানো পথে হেঁটে ঘুরে দাঁড়িয়েছিল ইমামি ইস্টবেঙ্গল (East Bengal)। তবে লাভ হল কী? শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েও খাতায় শূন্য নিয়েই যাত্রা শেষ করতে হয়েছে লাল হলুদদের। তাই শেষ পর্যন্ত ভরসা ছিল AFC চ্যালেঞ্জ লিগ।
গুরুত্বপূর্ণ খবর পড়তে জয়েন করুন
Join Now
তবে সেই আসরেও তুর্কমেনিস্তানের দল এফকে আর্কাদাগের কাছে গুঁড়িয়ে যায় মশাল ব্রিগেড। ফলত, একেবারে ব্যর্থতার শেষ সীমায় পৌঁছে, অগত্যা এখন ভরসা আসন্ন কলিঙ্গ সুপার কাপ। আর সেই লক্ষ্যে দৃষ্টি রেখেই দল গোছাচ্ছেন কোচ অস্কার। এহেন আবহে ইস্টবেঙ্গল শিবিরের দুই তারকাকে নিয়ে বড় খবর সামনে এসেছে।
সুপার কাপের লড়াই কঠিন
ভারতীয় ফুটবলে দুঃসময় কাটাচ্ছে ইস্টবেঙ্গল। কলকাতা ময়দানের একেবারে খোদ বিরোধী মোহনবাগান যেখানে ISL সেমির লড়াইয়ে নেমেছে, সেখানে লাল হলুদের অবস্থা একেবারে শোচনীয়। ফলত, আসন্ন সুপার কাপে নজর রাখা ছাড়া দ্বিতীয় কোনও বিকল্প আপাতত নেই লাল হলুদদের কাছে।
বাছায় করা খবর নিজের মোবাইলে পেতে
Join Now
এমন পরিস্থিতিতে সুপার কাপের লড়াইও যে যথেষ্ট কঠিন হতে চলেছে তা বুঝে গিয়েছেন কোচ অস্কার। আর সেই কারণেই, দলের রক্ষণভাগে নজর পড়েছে স্প্যানিশ কোচের। সূত্র বলছে, আগামী প্রতিযোগিতায় আর একই ভুলে নাক কাটাবে না ইস্টবেঙ্গল। আবাহ যখন এমন, ঠিক সেই সময়ে দুই তারকাকে নিয়ে সরগরম সমর্থক মহল।
অনুশীলনে দেখা গেল না সেলিসকে
গোটা ISL যাত্রায় একেবারে ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে লাল হলুদের স্বপ্ন। এমতাবস্থায় ঘুরে দাঁড়ানোর আমরণ চেষ্টা করছেন অস্কার। সুপার কাপকে সামনে রেখে চলছে ইস্টবেঙ্গলের পুরোদস্তুর অনুশীলন। এমতাবস্থায়, দলের অনুশীলনে অনুপস্থিত থাকলেন তারকা ফরোয়ার্ড রিচার্ড সেলিস। হ্যাঁ, চলতি ISL মরসুমের মাঝে সময়ে মাঠে দাপট দেখানো ভেনিজুয়েলার এই ফুটবলারকে নিয়ে চাপ বেড়েছে ইস্টবেঙ্গল ম্যানেজমেন্টের।
অবশ্যই পড়ুন: হার্দিক পান্ডিয়ার হাত ধরে তৈরি হল IPL-র নতুন ইতিহাস!
রক্ষণ যন্ত্রণা কমতে চলেছে লাল হলুদের
রিচার্ড সেলিসকে নিয়ে দুশ্চিন্তার মাঝেই খুশির হাওয়া ইস্টবেঙ্গল শিবিরে। বেশ কয়েকটি সূত্র মারফত যা খবর, চোট কাটিয়ে দ্রুত ফিট হয়ে উঠছেন জাতীয় দলের তারকা ফুটবলার তথা ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণভাগের অন্যতম ভরসা আনোয়ার আলি। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, আর কিছু দিনের মধ্যেই পুরোপুরি ফিট হয়ে উঠবেন আনোয়ার। যেই খবর, বাকিদের জন্য মাথা ব্যথার হলেও ইস্টবেঙ্গলের কাছে নিঃসন্দেহে ইতিবাচক।