বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: একশো দিনের কাজের টাকা পান ভারতীয় পেসার মহম্মদ শামির (Mohammed Shami) বোন ও ভগ্নিপতি! হ্যাঁ, সম্প্রতি এমন খবরেই ফের বিতর্কে জড়িয়েছে শামির পরিবার। সূত্রের খবর, ভারতীয় তারকা মহম্মদ শামির বোন শাবিনা ও তাঁর স্বামী 2021 সাল থেকে 2024 সাল পর্যন্ত উত্তরপ্রদেশের আমরোহায় একশো দিনের কাজের কেন্দ্রীয় প্রকল্প তথা মহাত্মা গান্ধী ন্যাশনাল রুরাল এমপ্লয়মেন্ট গ্যারান্টি অ্যাক্ট বা MGNREGA-র টাকা পেয়েছেন।
গুরুত্বপূর্ণ খবর পড়তে জয়েন করুন
Join Now
শামির বোন ও ভগ্নিপতির নাম রয়েছে MGNREGA প্রকল্পে
সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসা বেশ কয়েকটি সংবাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, উত্তরপ্রদেশের আমরোহা জেলার জয়া ব্লকের পালোলা গ্রামের একশো দিনের কাজের প্রকল্পের অধীনে 657টি জব কার্ড তৈরি করা হয়েছিল বলেই খবর। সূত্র বলছে, জব কার্ড হোল্ডারদের তালিকায় ভারতীয় তারকা মহম্মদ শামির বোন শাবিনার নাম রয়েছে 473 নম্বরে।
সেই সূত্রে বলে রাখি, শামির বোন শাবিনা হলেন গ্রামপ্রধান আয়েশার পুত্রবধূ। জানা যায়, 2021 সাল নাগাদ MGNREGA প্রকল্পে নাম লেখান শাবিনা। এরপর থেকেই নাকি একশো দিনের কাজের টাকা পেয়েছেন তিনি। বলে রাখা ভাল, জব কার্ড হোল্ডারদের তালিকায় নাম এসেছে শাবিনার স্বামী গজনবীরেরও।
বাছায় করা খবর নিজের মোবাইলে পেতে
Join Now
সূত্র বলছে, এখনও পর্যন্ত একশো দিনের কাজের টাকা বাবদ 70 হাজার টাকা ঢুকেছে শাবিনার ব্যাঙ্ক অ্যানকাউন্টে। অন্যদিকে তাঁর স্বামীর ব্যাঙ্কে এসেছে 66 হাজার টাকা। যা প্রকাশ্যে আসতেই তুমুল সমালোচিত হচ্ছে শামির পরিবার।
তালিকায় নাম রয়েছে শামির বোনের পরিচিতদেরও
বেশ কিছু সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, একশো দিনের কাজ নিয়ে উত্তরপ্রদেশের আমরোহা গ্রামে যে কেলেঙ্কারির খবর সামনে এসেছিল, তাতে নাম জড়িয়েছে শাবিনার শ্যালিকা নেহারও। সূত্র বলছে, 2019 সাল থেকে বিয়ের পর শ্বশুর বাড়িতেই থাকেন নেহা। তাঁরা নামেও জব কার্ড রয়েছে। শুধু তাই নয়, তিনিও নাকি দীর্ঘদিন ধরে একশো দিনের কাজের টাকা পান।
অবশ্যই পড়ুন: ব্যাটিং বিপর্যয় কাটাতে ভারতীয় মহারথীর শরণাপন্ন KKR, কার কাছে গেলেন রিঙ্কুরা?
বেশ কিছু সূত্র জানাচ্ছে, MGNREGA প্রকল্পে নাকি নাম রয়েছে শাবিনার গ্রামের এক ঠিকাদার জুলফিকারেরও। জানা গিয়েছে, তাঁর নিজস্ব একটি দোতলা বাড়ি রয়েছে। তা সত্ত্বেও নাকি একশো দিনের কাজের টাকা পান তিনি! সব মিলিয়ে, একেবারে নতুন কেলেঙ্কারির ঘটনায় ফের নাম জড়াল ভারতীয় তারকা মহম্মদ শামির পরিবারের। যদিও এ বিষয়ে শামি ও তাঁর পরিবারের তরফে কোনও রকম প্রতিক্রিয়া মেলেনি।