Train Ticket: বিনা টিকিটে ট্রেন যাত্রা? কি কি সমস্যা হতে পারে জেনে নিন
রেলভ্রমণ আমাদের নিত্যদিনের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কমবেশি আমরা সকলেই লোকাল বা দূরপাল্লার ট্রেনে চড়েছি। ট্রেনে চড়ার অভিজ্ঞতা যেমন মনোরম, তেমনই এর কিছু নির্দিষ্ট নিয়মকানুনও রয়েছে, যা মানা আমাদের কর্তব্য। এই নিয়মগুলি শুধু শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্যই নয়, যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যও কঠোরভাবে প্রণয়ন করা হয়েছে। কিন্তু অনেক সময় আমরা এই নিয়মগুলি না জানার কারণে অপ্রত্যাশিত সমস্যার মুখোমুখি হই। তাই সচেতনতা রক্ষা করতে এবং জরিমানা বা আইনি জটিলতা এড়াতে এই নিয়মগুলি জানা অত্যন্ত জরুরি।
রেলপথে ভ্রমণের প্রথম এবং অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো বৈধ টিকিট থাকা। বিনা টিকিটে যাত্রা করা আইনের পরিপন্থী এবং ধরা পড়লে এর জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। ইতিমধ্যেই শুধুমাত্র ডিসেম্বর মাসে শিয়ালদা ডিভিশনে ৬০০০০ জন ধরা পড়েছেন বিনা টিকিটে, হাওড়া ডিভিশনে ৮১,০০০ জন ধরা পড়েছেন বিনা টিকিট নিয়ে। এছাড়াও, আসানসোল ডিভিশনে এই মাসে ধরা পড়েছেন অনেকেই। এছাড়াও, মালদা ডিভিশনেও এরকম ঘটনা ঘটেছে। কোনো ব্যক্তি যদি বিনা টিকিটে ট্রেনে ওঠেন এবং ধরা পড়েন, তবে তাঁকে ন্যূনতম ২৫০ টাকা জরিমানা গুনতে হবে। এর সঙ্গে যাত্রাকৃত দূরত্ব অনুযায়ী টিকিটের দামও দিতে হবে। এই জরিমানা বা টিকিটের মূল্য দিতে অস্বীকার করলে রেলওয়ে সুরক্ষা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে। রেলওয়ে আইনের ১৩৭ ধারার অধীনে আটক হওয়ার পর আদালতে পেশ করা হলে জরিমানার অঙ্ক বেড়ে ১০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
বর্তমান সময়ে ই-টিকিট একটি জনপ্রিয় এবং সুবিধাজনক পদ্ধতি হলেও, এর ক্ষেত্রে একটি বাড়তি নিয়ম মেনে চলতে হয়। ই-টিকিটে ভ্রমণের সময় যাত্রীদের অবশ্যই একটি বৈধ পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে হবে। পরিচয়পত্র দেখাতে ব্যর্থ হলে তাঁকে বিনা টিকিটের যাত্রী হিসেবেই গণ্য করা হবে এবং সেই অনুযায়ী জরিমানা ধার্য হবে। একইভাবে, যদি কেউ হাফ টিকিট ব্যবহার করেন বা সাধারণ টিকিট নিয়ে প্রথম শ্রেণির কামরায় ওঠেন, তাহলে তাঁর ক্ষেত্রেও ন্যূনতম ২৫০ টাকা জরিমানা দিতে হবে। এমনকি যদি আপনার সঙ্গে থাকা শিশুর জন্য টিকিট না নেওয়া হয়, সেক্ষেত্রেও জরিমানার মুখোমুখি হতে হতে পারেন।
নিয়ম ভাঙার আরও কিছু সাধারণ উদাহরণ দেখা যায় ট্রেনযাত্রায়। কেউ কেউ ধূমপান বা মদ্যপানের মতো নিষিদ্ধ কাজ করে থাকেন, যা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। এছাড়া রেললাইনের ওপর দিয়ে যাতায়াত করা, প্ল্যাটফর্মে অযথা ভিড় করা কিংবা ট্রেনকে নোংরা করা, এই সমস্ত কিছুই আইনের আওতায় পড়ে। এগুলি শুধুমাত্র জরিমানার কারণই নয়, অপরাধ প্রমাণিত হলে জেলযাত্রার পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে।
রেলপথে যাত্রা কেবলমাত্র একটি গন্তব্যে পৌঁছানোর মাধ্যম নয়; এটি শৃঙ্খলা, দায়িত্ব এবং আইন মেনে চলার প্রতীক। নিয়ম মেনে চলা যেমন নাগরিক দায়িত্বের অংশ, তেমনি নিজের এবং অন্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উপায়ও বটে। তাই ট্রেনে চড়ার আগে এই নিয়মগুলি সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখা উচিত, যাতে কোনো অনভিপ্রেত পরিস্থিতি এড়ানো যায়। সতর্কতা এবং সচেতনতা রেলভ্রমণকে আরও নিরাপদ ও আরামদায়ক করে তুলতে পারে।
সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আজ ১লা এপ্রিল, মঙ্গলবার। আজকের রাশিফল (Ajker Rashifal) অনুযায়ী দিনটি কেমন কাটবে?…
Vivo আজ তাদের Y300 সিরিজের দুটি নতুন ফোন লঞ্চ করেছে। প্রথম মডেলটি হল Vivo Y300…
এই বছর এখনও অবধি বাজেট-ফ্রেন্ডলি দামে একাধিক স্মার্টফোন লঞ্চ হয়েছে। যাদের পকেট হালকা তারা এই…
ভারতের বৃহত্তম টেলিকম কোম্পানি Reliance Jio আজ থেকে বিনামূল্যে JioHotstar অফারটি বন্ধ করে দিচ্ছে। এই…
সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান বর্তমানে দুর্নীতির অভিযোগে কারাগারে বন্দি। তবে শোনা…
সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: কলকাতা এমন একটি শহর যার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং ব্যস্ত জীবনযাত্রা গোটা দেশে…
This website uses cookies.